সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
স্বাধীনতা দিবস বনাম করোনাভাইরাস স্বাধীনতার অপর নাম শেখ মুজিবুর রহমান করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে টঙ্গীতে জীবাণুনাশক ছিটাচ্ছে জিএমপি টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল হাসপাতালে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারী ও বে-সরকারী ভাবে আসা পোষাক ও সরঞ্জাম (পিপিই) পাচ্ছেন কারা ? পূবাইলে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ \ আহত-৩ টঙ্গীতে ৭ ডাকাত গ্রেফতার ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৪ জন গাজীপুরে হোম কোয়ারেন্টাইনে ৩৩৪ জন করোনা আক্রান্তের ছেলে সভায়, পরিচালক বলছেন ‘ছোঁয়াছুঁয়ি’ হয়নি করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫, নতুন আক্রান্ত নেই ৩০ হাজার মাস্ক, ১৫ হাজার হেড কভার সহায়তা পাঠাল ভারত ফাইলে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন, কিছুক্ষণের মধ্যেই খালেদার মুক্তি করোনা সতর্কতা : যেসব নির্দেশনা দিলো নৌ মন্ত্রণালয় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫, নতুন আক্রান্ত নেই যানজটের ঢাকা আজ মুখোশের নগরী সংবাদপত্রের মাধ্যমে করোনা ছড়ানোর আশঙ্কা নেই : ডব্লিউএইচও খালেদার মুক্তির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল যুক্তরাষ্ট্র মেয়াদ উত্তীর্ণ এসিআই এরোসল গোডাউনে র‌্যাবের অভিযান গোডাউনের মালিক সজিবকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা বর্ষা কিংবা শীত ময়লা আর্বজনা আর দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে ডুবে থাকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতল ও টঙ্গী পূর্ব থানা টঙ্গীতে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও বিনামূল্যে মাক্স বিতরণ ভাইরাসের অজুহাত দেখিয়ে ন্যায্য মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে চাউল বিক্রি টঙ্গীতে চাউল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি’র দোকানেই অনিয়ম
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ন্যায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রেরণার উৎস

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ন্যায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রেরণার উৎস

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সারাবিশ্বের সকল নাগরিকের সত্য ও ন্যায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রেরণার উৎস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

মহান শহীদ এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, বিশ্বের ২৬ কোটিরও বেশি মানুষের ভাষা বাংলাকে জাতিসংঘের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতিদানের জন্য আমরা ইতোমধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দাবি উত্থাপন করেছি। আমরা বিশ্বের সকল ভাষাসংক্রান্ত গবেষণা ও ভাষা সংরক্ষণের জন্য ঢাকায়, ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠা করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একুশের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ধারণ করে গত ১১ বছরে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, কূটনৈতিক সাফল্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ প্রতিটি সেক্টরে আমরা ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের ‘রোল মডেল’।

বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষা ও সংস্কৃতির জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, মহান একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির জীবনে শোক, শক্তি ও গৌরবের প্রতীক। ১৯৫২ সালের এ দিনে ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণ দিয়েছিলেন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিকসহ আরও অনেকে।

তিনি ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেতৃত্বদানকারী সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সকল ভাষা সৈনিকের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৪৮ সালে ছাত্রলীগ, তমদ্দুন মজলিশ ও অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত হয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। ১১ মার্চ ১৯৪৮ সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সংগ্রাম পরিষদ ধর্মঘট ডাকে। এদিন সচিবালয়ের সামনে থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেক ছাত্রনেতা গ্রেফতার হন। ১৫ মার্চ তারা মুক্তি পান। ১৬ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় অনুষ্ঠিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু।

তিনি বলেন, এরপর মাতৃভাষার দাবিতে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। বঙ্গবন্ধুকে ১৯৪৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৪৯ সালের ২১ জানুয়ারি তিনি মুক্তি পান। ১৯ এপ্রিল আবার তাকে গ্রেফতার করা হয়। জুলাই মাসের শেষে তিনি মুক্তি পান। ১৪ অক্টোবর ঢাকায় বঙ্গবন্ধুকে আবারও গ্রেফতার করা হয়। কারাগার থেকেই তার দিকনির্দেশনায় আন্দোলন বেগবান হয়। সেই দুর্বার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শাসকগোষ্ঠীর জারি করা ১৪৪ ধারা ভাঙতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছিলেন ভাষা শহীদরা।

তিনি আরও বলেন, মহান একুশে ফেব্রুয়ারির সেই রক্তস্নান গৌরবের সুর বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে আজ বিশ্বব্যাপী মানুষের প্রাণে অনুরণিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য কানাডা প্রবাসী সালাম ও রফিকসহ কয়েকজন বাঙালি উদ্যোগ গ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ সরকার এ বিষয়ে জাতিসংঘে প্রস্তাব উত্থাপন করে। যার ফলে ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ এবং ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা জাতির পিতার ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছি। আসুন, দৃঢ় সংকল্পে আবদ্ধ হই- মহান একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলব।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com