September 23, 2020, 5:20 am

News Headline :
মনপুরাগামী ৩ শতাধিক যাত্রীকে মাঝপথে নামিয়ে দিলেন লঞ্চ কর্তৃপক্ষ॥ ট্রলারযোগে উত্তাল মেঘনা পাড়ি তজুমদ্দিনে বিয়ে বাড়িতে খাবারে নেশা মিশিয়ে স্বর্ণালংকার চুরি ॥ হাসপাতালে ভর্তি-৬ মহানগর আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড কমিটি ঘোষনাকে কেন্দ্র করে টঙ্গীতে পদ-পদবী বঞ্চিত নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ দুর্গাপূজায় ৩ দিনের ছুটির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি স্বাস্থ্য খাতের ২০ জনের সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুদক গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড কমিটি ঘোষনা পদ বঞ্চিতদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ মুজিববর্ষ উপলক্ষে ফের বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তুতি গায়েবি মামলায় সাংবাদিক কারাগারে : তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাবি গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান, নারীসহ ২৮ জন গ্রেফতার কক্সবাজারের পথে সোনারগাঁয়ে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির গাড়িতে আগুন
বাতিল হচ্ছে ওয়ালটনের বিডিং?

বাতিল হচ্ছে ওয়ালটনের বিডিং?

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারবাজারে আসতে বিডিং (নিলাম) সম্পন্ন করা ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজের কাট-অফ প্রাইস ৩০০ টাকার ওপরে হলে জনস্বার্থে প্রতিষ্ঠনটির বিডিং বাতিল করার পরিকল্পনা নিচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

এ বিষয়ে বিএসইসির একজন কমিশনার বলেন, ওয়ালটনের কাট-অফ প্রাইস কত হয় আমরা সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি। কাট-অফ প্রাইস ৩০০ টাকার ওপরে হলে বিডিং বাতিল করার পরিকল্পনা আছে আমাদের। জনস্বার্থে বিএসইসি এমন সিদ্ধান্তে নেয়ার ক্ষমতা রাখে।

আর শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিডিংয়ে শেয়ারের দাম অতিমূল্যায়িত হলে এবং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ১০ শতাংশের কম শেয়ার আসলে ওই কোম্পানির বিডিং বাতিল করা উচিত। তা না হলে শেয়ারের দাম অতিমূল্যায়িত হবে, বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সার্বিক শেয়ারবাজারে।

এ বিষয়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, বিডিংয়ে শেয়ারের দাম অতিমূল্যায়িত হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা তা কিনবেন। এরপর শেয়ারের দাম কমে যাবে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই আমি মনে করি, শেয়ারের দাম অতিমূল্যায়িত হলে ওয়ালটনের বিডিং বাতিল করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, একটি কোম্পানির কমপক্ষে ১০ শতাংশ শেয়ার আইপিওতে ছাড়া উচিত। আইপিওতে মাত্র ১-২ শতাংশ শেয়ার আসা যৌক্তিক নয়। এতে কোম্পানির শেয়ারের দাম অতিমূল্যায়িত হবে এবং বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের খরচ মেটাতে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য গত ৭ জানুয়ারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজকে বিডিংয়ে অংশ নেয়ার অনুমোদন দেয়। এরপর কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণে গত ২ মার্চ বিকাল ৫টা থেকে ৫ মার্চ বিকাল ৫টা পর্যন্ত যোগ্য বিনিয়োগকারীরা বিডিংয়ে অংশ নেন।

বিডিং সম্পন্ন হলেও ব্যাংক সেটেলমেন্ট জটিলতায় কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। কারণ ওয়ালটনের নিলামে অংশ নেয়া কিছু যোগ্য বিনিয়োগকারী ডিএসইর ব্যাংক হিসাবের অনুকূলে পে-অর্ডার করলেও তা জমা হয়নি। এই সেটেলমেন্ট জটিলতায় বিডিং শেষ হলেও কাট-অফ প্রাইসের তথ্য প্রকাশ করতে পারেনি ডিএসই। আগামী সোমবার (৯ মার্চ) কাট-অফ প্রাইস জানা যাবে।

তবে গুঞ্জন রয়েছে, ওয়ালটনের শেয়ারের কাট-অফ প্রাইস ৩০০ টাকার ওপরে হতে পারে। যদি কাট-অফ প্রাইস ৩০০ টাকার ওপরে হয় তাহলে প্রতিষ্ঠানটি মোট শেয়ারের মাত্র এক শতাংশ বাজারে ছাড়বে। এটাকে শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা ভালোভাবে নিচ্ছেন না। তাছাড়া ‘হিস্ট্রোরিকাল আর্নিংস বেজড ভ্যালু পার শেয়ার’ পদ্ধতিতেও ওয়েলটনের শেয়ারের দাম ৩০০ টাকা হতে পারে না।

বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে যে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম বিবেচনায় ‘হিস্ট্রোরিকাল আর্নিংস বেজড ভ্যালু পার শেয়ার’ পদ্ধতিকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় নেয়া হয়। এ ক্ষেত্রে প্রথমে কোম্পানির শেষ ৫ বছরের ওয়েটেড শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস)-কে মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ১০ দিয়ে গুণ করা হয়। এর সঙ্গে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ (এনএভিপিএস) যোগ করে ২ দিয়ে ভাগ করে এই দাম নির্ধারণ করা হয়।

ওয়ালটনের রেড হেরিং প্রসপেক্টাস অনুযায়ী, কোম্পানিটির গত ৫ বছরের ওয়েটেড ইপিএস ২৮ টাকা ৪২ পয়সা। আর এনএভিপিএস রয়েছে (পুনঃমূল্যায়নসহ) ২৪৩ টাকা ১৬ পয়সা। এ ক্ষেত্রে কোম্পানিটির ‘হিস্ট্রোরিকাল আর্নিংস বেজড ভ্যালু পার শেয়ার’ পদ্ধতিতে শেয়ারের দাম মূল্যায়ন হয় ২৬৩ টাকা ৬৮ পয়সা। আর পুনঃমূল্যায়ন ছাড়া ১৩৮ টাকা ৫৩ পয়সা এনএভিপিএসের ক্ষেত্রে শেয়ারের দাম হয় ২১১ টাকা ৩৬ পয়সা।

আইপিওতে প্রিমিয়াম নিয়ে কোনো কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসতে চাইলে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আসতে হয়। এই পদ্ধতিতে বিডিংয়ের মাধ্যমে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে কোম্পানি কত টাকা প্রিমিয়াম পাবে তা নির্ধারণ করে। ২০১৬ সালে চালু হওয়ার পর বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারবাজারে যে কয়টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়েছে এর সবকটি ‘হিস্ট্রোরিকাল আর্নিংস বেজড ভ্যালু পার শেয়ার’ পদ্ধতিতে নির্ধারিত দামের থেকে কম দামে শেয়ার ইস্যু করেছে- বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

এছাড়া বুক বিল্ডিং পদ্ধতির আগে ইস্যু ম্যানেজাররা ‘হিস্ট্রোরিকাল আর্নিংস বেজড ভ্যালু পার শেয়ার’ পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে কোম্পানির শেয়ার ইস্যু করার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) আবেদন করতেন। এর আলোকে কমিশন প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দেয়। বুক বিল্ডিং পদ্ধতি চালুর আগে সব কোম্পানিকেই ‘হিস্ট্রোরিকাল আর্নিংস বেজড ভ্যালু পার শেয়ার’ পদ্ধতির যোগ্যতার চেয়ে কম দামে আইপিও অনুমোদন দেয় বিএসইসি।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এক পরিচালক বলেন, ওয়ালটনের শেয়ারের কাট-অফ প্রাইস যা নির্ধারিত হবে তাতে দেখা যাবে, কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ১-২ শতাংশ শেয়ার ছাড়বে। এটি হলে শেয়ারবাজারের জন্য একটি খারাপ উদাহরণ সৃষ্টি হবে। শেয়ারবাজারে একটি কোম্পানির মাত্র ১-২ শতাংশ শেয়ার আসলে তা অতিমূল্যায়িত হবে। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সেই সঙ্গে বাজারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এদিকে ওয়ালটনের প্রসপেক্টাসের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি কর পরবর্তী মুনাফা করে ৩১৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। পরের হিসাব বছর ২০১৫ সালের ৩০ জুন তা বেড়ে হয় ৫০২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। ২০১৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে তা আরও বেড়ে ৬২১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা হয়। আর ২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কর পরবর্তী মুনাফা হয় ৭৩৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা। অর্থাৎ ২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে।

কিন্তু ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা কমে দাঁড়ায় ৩৫২ কোটি ৩২ লাখ টাকা। অবশ্য আইপিও’র আবেদন করার আগে হঠাৎ করেই প্রতিষ্ঠানটির মুনাফায় উল্লম্ফন হয়। ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসের ব্যবসায় কোম্পানিটি ৩৯২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা কর পরবর্তী মুনাফা দেখিয়েছে।

এ বিষয়ে ডিএসইর এক সদস্য বলেন, যে কোনো কোম্পানির মুনাফার ক্ষেত্রে একধরনের ধারাবাহিকতা থাকবে- এটাই স্বাভাবিক। মুনাফার বড় ধরনের উঠা-নামাটা অস্বাভাবিক। ওয়ালটনের করপরবর্তী মুনাফার চিত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যাচ্ছে, ২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে যে মুনাফা হয়েছিল, ২০১৮ সালের ৩০ সমাপ্ত হিসাব বছরে তার অর্ধেকেরও কম হয়েছে। অথচ আগের হিসাব সম্পূর্ণ হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটি যে মুনাফা করেছে ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মাত্র ছয় মাসেই তার থেকে বেশি মুনাফা করেছে। মুনাফার এমন অস্বাভাবিক উঠা-নামার বিষয়টি নিয়ন্ত্রক সংস্থার খতিয়ে দেখা উচিত।

ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের খরচ মেটাতে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলনের আবেদন করলেও ওয়ালটনের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ আছে ১ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকার ওপরে। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ৭২৪ কোটি ৬৭ লাখ এবং দীর্ঘমেয়াদি ঋণের কারেন্ট পোরশন ২৯৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আর স্বল্পমেয়াদি ঋণ ৭৮০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এ ঋণের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটির সম্পদ (পুনঃমূল্যায়ন বাদে) আছে ৩ হাজার ১৭০ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

ওয়ালটনের কোম্পানি সচিব পার্থ প্রতিম দাশ জাগো নিউজকে বলেন, কাট-অফ প্রাইস কত হবে সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই। সিস্টেমটা এমনভাবে করা, কেউ এ বিষয়ে কিছু বলতেই পারছে না।

আইপিওতে সীমিত সংখ্যক শেয়ার ছাড়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওয়ালটন একটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ব্রান্ড। ওয়ালটন এখন আন্তর্জাতিক বজারে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির আলাদা চাহিদা থাকে। এটা একটি ভ্যালু ক্রিয়েশন। অ্যামাজনে আমাদের পণ্য বিক্রি হচ্ছে, ইউএসে মোবাইল যাচ্ছে। এ কারণেই মূলত ১০০ কোটি টাকা রেইস করা। কত শতাংশ শেয়ার ছাড়া হবে, সেটা কোনো বিষয় নয়। এটা বিডিংয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ঋণ থাকা কোম্পানির ঋণ পরিশোধ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে মাত্র ১০০ কোটি টাকা তোলার কারণ কী- এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, প্রসপেক্টাস আসলে একটি প্রেসক্রিপশন। পাবলিক ইস্যু রুলসের শেষের দিকে কিন্তু বলা আছে, এই এই ফরমেটে দিতে হবে। সেই অনুসারে এই প্রেসক্রিপশন (ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধের তথ্য উল্লেখ করা) দেয়া।

২০১৭ ও ২০১৮ সালে মুনাফার বড় ধরনের উঠা-নামার বিষয়ে তিনি বলেন, পাঁচ বছরে (২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল) আমাদের গ্রোথ কিন্তু একই ট্রেন্ডে ছিল, খুব একটা হেরফের হয়নি। প্রতিটি বছরে ২০-২৫ শতংশ হারে গ্রোথ হয়েছে। তবে ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে কয়েকটা ঘটনা ঘটে। আমাদের ব্যবসার পিক সিজন দুটি উৎসব। ওই দুটি উৎসবের সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়, যা প্রচণ্ড অ্যাফেক্ট ফেলে। ওই সময় আমাদের যে পুশ দেয়ার কথা, আমরা সেটি দিতে পারেনি। এর বাইরে নতুন পণ্যের জন্য আমরা আমাদের কারখানায় বিনিয়োগ করেছি।

‘তবে এই বছরগুলোতে আমরা মার্কেটিংয়ে বেশি করে বিনিয়োগ করেছি। মার্কেট ক্যাপচার করার জন্য আমাদের প্রমোশনগুলো আরও বাড়িয়েছি। এ কারণে ওই সময়ে (২০১৮ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর) আমাদের মুনাফা অনেক বেড়েছে। এটা শুধু ওই সময় নয়, এখনও অব্যাহত আছে’ বলেন পার্থ প্রতিম দাশ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com