August 4, 2020, 11:11 pm

গরুর দাম ও চাহিদায় হতাশ খামারিরা

গরুর দাম ও চাহিদায় হতাশ খামারিরা

Spread the love

করোনা পরিস্থিতিতে কোরবানির গরুর চাহিদা ও দাম কমার শঙ্কায় রয়েছেন বাগেরহাটের খামারিরা। তারা বলছেন, গরু ও খামারের সংখ্যা বেড়েছে। অথচ সেই তুলনায় বাড়েনি গরুর চাহিদা। অথচ করোনার প্রভাবে বেড়েছে গো-খাদ্যের দাম। এবার বাগেরহাটে কোরবানির জন্য যে সংখ্যক গবাদি পশুর প্রয়োজন হবে, এখানকার খামারগুলোতে গরু রয়েছে তার চেয়ে বেশি। অন্যদিকে করোনা সংক্রমণের ভয়ে হাটে ক্রেতা কমবে।

এ অবস্থায় গরু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খামারিরা। বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী এবারের কোরবানির জন্য বাগেরহাট জেলায় ৪৩ হাজার ৮২৫টি গবাদি পশু প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে গরু ৩ হাজার ৭২৩, মহিষ ১ হাজার ১৩, ছাগল ১০ হাজার ৭৮৬, ভেড়া ১ হাজার ১৫৩ এবং ১৫০টি অন্যান্য পশু রয়েছে। বাগেরহাট সদর উপজেলার খামারি সুমন বিডিপ্রেস এজেন্সিকে বলেন, প্রতি বছর ৪-৫টি গরু পালন করি। তা বিক্রি করে যা আয় হয় তা দিয়ে সারা বছর চলি। এ বছর ৬টি গরু আছে, যা স্বাভাবিক বাজার থাকলে ৫ লাখ টাকার ওপরে বিক্রি হওয়ার কথা। কিন্তু ব্যবসায়ীরা ৬টি গরু তিন লাখ টাকার বেশি দাম বলে না।

বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান বিডিপ্রেস এজেন্সিকে বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে কোরবানির বাজারে কিছুটা মন্দা হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত বাজার ভালো আছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্থাৎ যেসব জায়গায় বেশি পশু বিক্রি হয়, সে সব এলাকায় সামাজিক দূরত্ব মেনে পশুর হাট বসানোর চিন্তা রয়েছে। অনলাইনেও পশু বিক্রির জন্য খামারিদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোরবানির আগ মুহূর্তের হাটের জন্য অপেক্ষা না করে এখন থেকেই গবাদি পশু বিক্রির জন্য পরামর্শ দিয়েছি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com