ArabicBengaliEnglishHindi

গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ; পাশের হার ৫৯.৪৫ শতাংশ


প্রকাশের সময় : অগাস্ট ২৩, ২০২২, ৬:৩৩ অপরাহ্ন / ৪৮
গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ; পাশের হার ৫৯.৪৫ শতাংশ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা ->>
গুচ্ছভুক্ত ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষের বাণিজ্য অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ৫৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। আর মোট পরীক্ষার্থীর ৪০ দশমিক ৫৪ শতাংশ ভর্তিচ্ছু অকৃতকার্য হয়েছে।

 

মসজিদ নির্মাণ কাজে আর্থিক সাহায্যের আবেদন

 

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১টায় গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে এই ফল প্রকাশ করা হয়। ভর্তিচ্ছুরা নিজেদের আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত ওয়েবসাইট (https://gstadmission.ac.bd/) লগইন করে ফল দেখতে পারবেন।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটি সূত্রে জানা যায়, ‘সি’ ইউনিটে মোট আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ১৮০ জন। এদের মধ্যে পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন ৩৯ হাজার ৭৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ১০৭ জন।
মোট পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৩ হাজার ২২৮ জন। আর অকৃতকার্য হয়েছেন ১৫ হাজার ৮৩৯ জন। এছাড়া বহিষ্কার, রোল এরর এবং সেট কোড ভুল সংক্রান্ত কারণে ৬ জন ভর্তিচ্ছুর খাতা বাতিল করা হয়েছে।
প্রকাশিত ফলের তথ্য থেকে জানা যায়, ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষায় ৮০ এর ওপর পেয়েছেন ২৬ জন। প্রথম হয়েছেন ইশিকা জান্নাত। তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া গভ. কলেজের শিক্ষার্থী। ভর্তি পরীক্ষায় তার প্রাপ্ত নম্বর ৮৬ দশমিক ৭৫। তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

এছাড়া ৭৫ এর ওপরে নম্বর পেয়েছে ১৬৩ জন, ৭০ এর ওপরে নম্বর পেয়েছে ৫৭৯ জন, ৬৫ এর ওপরে নম্বর পেয়েছে ১৪৮৫ জন, ৬০ এর ওপরে নম্বর পেয়েছে ৩ হাজার ১৩৯ জন, ৫৫ এর ওপরে নম্বর পেয়েছে ৫ হাজার ৪৮৫ জন, ৫০ এর ওপরে নম্বর পেয়েছে ৮ হাজার ২৬৮, ৪৫ এর ওপরে নম্বর পেয়েছে ১১ হাজার ৩৯৩, ৪০ এর ওপরে নম্বর পেয়েছে ১৪ হাজার ৯২৮ জন, ৩৫ এর ওপরে নম্বর পেয়েছে ১৮ হাজার ৮৯৪ জন। আর ৩০ এর ওপরে নম্বর পেয়েছে ২৩ হাজার ২২৮ জন।

এর আগে, গত শনিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত মোট ২৫টি কেন্দ্রে ১০০ নম্বরের এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষায় ৩ হাজার ৭০টি আসনের বিপরীতে ৪২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন।