ArabicBengaliEnglishHindi

জবিতে অতি শীঘ্রই বঙ্গবন্ধু চেয়ার ও গবেষণা কেন্দ্র খোলার ব্যবস্থা নেয়া হবে : ভিসি


প্রকাশের সময় : অগাস্ট ১৫, ২০২২, ৮:২৬ অপরাহ্ন / ৫৫
জবিতে অতি শীঘ্রই বঙ্গবন্ধু চেয়ার ও গবেষণা কেন্দ্র খোলার ব্যবস্থা নেয়া হবে : ভিসি

জবি সংবাদদাতা ->>
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) অতি শীঘ্রই ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’-এর কার্যক্রম চূড়ান্ত করা হবে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু গবেষণা কেন্দ্র’ ও ‘Centre for Liberation War’ খোলার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

সোমবার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ ইমদাদুল হক এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, “আত্মত্যাগ ও নেতৃত্বসহ অন্যান্য বহুগুণের জন্য বঙ্গবন্ধু সমসাময়িক বিশ্বনেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। বহিঃবিশ্ব নেতৃবৃন্দ তাঁকে সমীহ করতেন। তিনি যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে নতুন করে সাজানোর জন্য এগিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই দেশদ্রোহী ও স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির সহায়তায় তাঁকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিলো।

তিনি আরো বলেন, “নানা দেশ যুদ্ধাবস্থা বিরাজমান হওয়ায় বিশ্বের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা কঠিন হতে কঠিনতর হয়ে পড়ছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়েই তাঁর সুযোগ্য কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সচেষ্ট রয়েছেন। পুরো বিশ্ব যেখানে টালমাটাল সেখানে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডকে ইতিহাসের নৃশংস হত্যাকান্ড উল্লেখ করে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, “বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সপরিবারের হত্যাকান্ড কোনো আকস্মিক হত্যাকান্ড নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। এই বিষয়ে সঠিক তথ্যের জন্য আরো অনুসন্ধান করার প্রয়োজন রয়েছে।

এছাড়াও আলোচনা সভায় বক্তারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের বিভিন্ন দিক, আদর্শ, বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও অসাম্প্রদায়িকতাসহ নানাবিধ আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। সেই সাথে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে কিভাবে দেশে আবারও সাম্প্রদায়িক ও স্বাধীনতা বিরোধীরা ক্ষমতায় আসীন হয়ে দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল তা আলোকপাত করা হয়। এসময় বঙ্গবন্ধুর খুনের নেপথ্যে জড়িতদেরও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।

 

মসজিদ নির্মাণ কাজে আর্থিক সাহায্যের আবেদন

 

এদিকে সকালে গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস। দিবসের শুরুতে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়।

সকাল ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ ইমদাদুল হক শোক র‌্যালিসহ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্থাপিত মুজিব মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরপর বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, নীলদল, কর্মকর্তা সমিতি, সাংবাদিক প্রতিনিধিবৃন্দ, কর্মচারী সমিতি, সহায়ক কর্মচারী কল্যাণ সমিতি এবং অন্যান্য সংগঠনের পক্ষে থেকে একে একে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এসময় ৭৫’ এর ১৫ আগস্টে নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। ‘জাতির জনক ও বাংলাদেশ’ শিরোনামে জবি একাডেমিক ভবনের নিচতলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে পুরান ঢাকার স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘জাতির জনক ও বাংলাদেশ’ শিরোনামে শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। অন্যান্য কর্মসূচিতে আরও রয়েছে, বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।