ArabicBengaliEnglishHindi

ডিমলায় সংবাদ প্রকাশের পর শিক্ষার্থী শুন্য এমপিওভুক্ত বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন ইউএনও


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২, ৬:৪৯ অপরাহ্ন / ৬২
ডিমলায় সংবাদ প্রকাশের পর শিক্ষার্থী শুন্য এমপিওভুক্ত বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন ইউএনও

রুহুল আমিন, ডিমলা(নীলফামারী) প্রতিনিধি->>

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় ‘শিক্ষার্থী শুন্য সম্প্রতি এমপিও ভুক্ত মর্ডান নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ এর নামে বিভিন্ন গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সোমবার (৫ ই সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সরেজমিনে পরিদর্শন করেন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন।

 

মসজিদ নির্মাণ কাজে আর্থিক সাহায্যের আবেদন

 

তিনি বিদ্যালয় পরিদর্শনকালীন সময়ে উপস্থিত ছিলেন ৬ জন ছাত্রী ও ১ জন ছাত্র। উপস্থিত ছিলেন না কোনো শিক্ষক/শিক্ষিকা। স্থানীয়দের মোবাইল ফোনে অফিস সহকারী সহ অন্যান্য শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে আসে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে না আসার কারণ জানতে চাইলে কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি শিক্ষকরা।

এসময় তিনি বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় রেজিস্ট্রার সহ জমির কাগজ পত্র দেখতে চাইলে অফিস সহকারী বলেন সভাপতির বাসায় সব কাগজ পত্র আছে। বাসা থেকে কাগজপত্র আনতে বললে শিক্ষকরা বলেন সভাপতি বিশেষ কাজে জেলা শহর নীলফামারী গেছেন বলে জানায়। পরবর্তিতে ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তি রেজিস্ট্রার দেখতে চাইলে অফিস সহকারীর বাসায় আছে বলে জানান।

উল্লেখ্য , উপজেলার গয়াবাড়ী ইউনিয়নে মর্ডান নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী না থাকলেও গত জুলাই মাসে এমপিও ভুক্ত করা হয়েছে। কয়েক বছর ধরে বন্ধ থাকা বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত হওয়ায় শিক্ষকরা আনন্দিত হলেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রকাশ হয়। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠানটি কাগজে কলমে স্থাপিত দেখা হয়েছে। ২০২০ সালে এমপিও ভুক্ত আবেদনের সময় সেখানে স্থাপন করা হয় একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘর।

অত্র ইউনিয়ের বাসিন্দা আসাদুজ্জামান বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক। তার মনোনীত নিকটতম আত্মীয় স্বজনদের বিদ্যালয়টিতে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন এবং পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান এর বড় ভাই মোখলেছুর রহমান ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন দৈনিক জনতার বাংলা কে বলেন,আমি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছি। একটি বিদ্যালয়ের যে নূন্যতম সুযোগ সুবিধা থাকা প্রয়োজন তার কোন কিছুই বিদ্যালয়ে নেই। অবকাঠামো ভাঙ্গাচোরা, খেলার মাঠ নেই, শিক্ষার্থী নেই, এমনকি শিক্ষকও নেই। আসলে বিদ্যালয়টি কাগজে প্রতিষ্ঠান মাত্র। এমন বিদ্যালয়ের এমপিওভুক্তি মানে সরকারি সম্পদের অপচয়। আমি পরিদর্শন প্রতিবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করেছি। আশা করি কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।