ArabicBengaliEnglishHindi

নোয়াখালীতে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির চাউল সহ আটক-২


প্রকাশের সময় : মে ১২, ২০২২, ৬:০০ অপরাহ্ন / ৭১
নোয়াখালীতে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির চাউল সহ আটক-২

নোয়াখালী প্রতিনিধি ->>

নোয়াখালী কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নে সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির আওতায় হতদরিদ্রদের মাঝে ১০ টাকা মূল্যে মাসে ৩০ কেজি চাউল বিতরণে অনিয়ম করে খোলা বাজারে বিক্রির সময় ২শত কেজি চাউল সহ এক অটোরিক্সা চালককে আটক করেছে স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬ঘটিকার সময় স্থানীয় কাচারিরহাট বাজার এর পূর্ব পাশে এনামুল হকের দোকান সংলগ্ন স্থান থেকে তাকে আটক করা হয়।

পরে স্থানীয়রা কবিরহাট থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটককৃত লোক ও চাউল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

আটককৃত অটোরিক্সা চালক মো: দেলোয়ার হোসেন জানান, বাটইয়া ইউনিয়নে সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসুচি বাস্তবায়নের জন্য নিয়োগকৃত ডিলার হাফিজ উল্যা (শেখ সাব) ভোর ৬টার দিকে তার দোকান (গুদাম) থেকে পাশবর্তি ইলিয়াছ কন্ট্রাক্টরের বাড়িতে আমার অটোরিক্সা যোগে ৪বস্তা চাউল পৌছে দেওয়ার জন্য ভাড়া করে। আমি চাউল নিয়ে যাওয়ার পথে স্থানীয়রা আমাকে চাউল সহ আটক করেছে।

 

 

অপর দিকে যার বাড়িতে চাউল যাচ্ছে সেই ইলিয়াছ কন্ট্রাক্টর জানান, আজ থেকে ২/৩দিন আগে ডিলার হাফিজ উল্যা তাকে বলেছেন কিছু চাউল আছে যা তাকে ক্রয় করার জন্য প্রস্তাব দেন। পরে তিনি কত টাকা দিতে হবে জিজ্ঞেস করায় হাফিজ উল্যা বলেছেন ১হাজার টাকা দিতে হবে। এরই পেক্ষিতে ভোরে অটোরিক্সা যোগে তার বাড়িতে চাউল পাঠিয়েছে বলে ভোর ৬টার দিকে ডিলার হাফিজ উল্যা তাকে মোবাইলে কল করে জানিয়েছেন। তার কিছুক্ষন পরে তিনি জানতে পারেন এটি সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির চাউল। তাই পথে স্থানীয়রা আটক করেছেন।

এবিষয়ে কবিরহাট উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা সালা উদ্দিন জানান, এই ডিলারের বিরুদ্ধে এর আগেও অনেক গুলো অভিযোগ ছিল। প্রমানের অভাবে প্রতিবারই পার পেয়ে যেত সে। এঘটনায় একটি মামলা রুজুর কাজ চলতেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কবিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমরা প্রাথমিক তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। আটক কৃত অটোরিক্সা চালক ও ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

উল্লেখ্য এর আগে গত ২৫ এপ্রিল সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে বাটইয়া ইউনিয়নের দুস্থদের জন্য পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারের বিশেষ ভিজিএফ কর্মসূচির ৪২০ বস্তা চাল উত্তোলন করা হয়। রাতে চালের বস্তাগুলো ইউপি কার্যালয়ে রাখা হয়। পরদিন দুস্থদের মাঝে চাল বিতরণের সময় বস্তা কম দেখে সন্দেহ হলে গণনা করে ৪০বস্তা চাল কম পাওয়া যায়। পরে গ্রাম পুলিশ হারুনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে তাকে আাদালতে প্রেরণ করা হয়।