ArabicBengaliEnglishHindi

নোয়াখালীতে সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন হত্যার, দ্রুত বিচার দাবি বিভিন্ন সংগঠনের


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ২০, ২০২২, ৫:০৬ অপরাহ্ন / ১৪৮
নোয়াখালীতে সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন হত্যার, দ্রুত বিচার দাবি বিভিন্ন সংগঠনের

হাসানুর রশিদ ->>

আজ ২০ ফেব্রুয়ারি বহুল আলোচিত সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার এক বছর পূর্ণ হল। গত বছরের ১৯ শে ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে খুন হন তিনি। সাংবাদিক  হত্যার বর্ষপূর্তিতে আজ নোয়াখালীতে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন করেন। প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বোরহানউদ্দিন মুজাক্কির এর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবারের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে নিহত সাংবাদিক বোরহানউদ্দিন মুজাক্কির এর হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিতের জন্য সরকারের নিকট আহ্বান জানান নিহত সাংবাদিকের দুলাভাই হাজী মোঃ আব্দুস সাত্তার।

অন্যদিকে বেলা এগারোটার সময় নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীর টাউন হল মোড় নোয়াখালী জেলার অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের এর আহবায়ক ও দৈনিক জনতার বাংলা পত্রিকার নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি হাসানুর রশীদ মিঠুর উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য  দ্বীপ টিভির নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মাহবুবুর রহমান, আনোয়ার, সোহেল, উম্মে জারিফা হানি প্রমুখ। তারা সকলেই সরকারের কাছে নিহত সাংবাদিক বোরহান উদ্দিনের হত্যা মামলা দ্রুত বিচার আইনে শেষ করে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। উক্ত প্রতিবাদ সভায় অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের আহ্বায়ক হাসানুর রশীদ মিঠু বলেন, সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহের জন্য মাঠে যাবে এবং তা প্রকাশ করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে রাজনৈতিক গ্রুপিংয়ের কারণে হত্যা সম্মুখীন হবেন এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। অনতিবিলম্বে সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন হত্যার  দ্রুত বিচার আইনে করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান।
 উল্লেখ্য গত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় চাপরাশি হাট বাজারে তথ্য সংগ্রহ করতে যান নিহত সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন। এ সময় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ বেধে যায়। উভয় গ্রুপের মাঝখানে পড়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিনি নিহত হন। যাহার প্রেক্ষিতে সারাদেশব্যাপী তখন সাংবাদিকদের একটি আন্দোলন অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রশাসন মুজাককির হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হয়।