ArabicBengaliEnglishHindi

ভরা মৌসুমেও ইলিশের জন্য হাহাকার জেলেদের


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১, ২০২২, ৯:৪১ অপরাহ্ন / ২৩০
ভরা মৌসুমেও ইলিশের জন্য হাহাকার জেলেদের

ভোলা জেলা প্রতিনিধি ->>
এখন ভরা মৌসুম। তারপরও নদীতে আশানুরূপ ইলিশ মিলছে না। এতে হতাশ হলেও হাল ছেড়ে দেননি জেলেরা। ইলিশের আশায় রাতদিন দলবেঁধে নদীতে নামতে দেখা গেছে ভোলার জেলেদের। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী চষে বেড়াচ্ছেন তারা।

 

মসজিদ নির্মাণ কাজে আর্থিক সাহায্যের আবেদন

 

ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের জংশন ও শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা ও রাতে ট্রলার ও নৌকায় জাল লোড করে মেঘনা নদীতে দলবেঁধে নামছেন জেলেরা। কোনো ট্রলারে ৭-৮ জন, কোনো ট্রলারে ১০-১২ জন, আবার কোনো কোনো নৌকায় ৪-৫ জন জেলে রয়েছেন।

জেলেরা বলছেন, নদীতে গিয়ে কোনো কোনো সময় যে পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যায় তাতে ট্রলারের তেলের খরচই ওঠে না। তারপরও তাদের বিশ্বাস যে কোনো সময় জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়বে ইলিশ।

ইলিশা ইউনিয়নের জংশন এলাকার জেলে আরিফ মাঝি ও আনোয়ার মাঝি বলেন, ‘এহন (এখন) ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে। ঘরে বইয়া অলস সময় কাটার সময় নাই। এহন প্রতিদিন সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা ও রাইতে আমরা দল বাইন্দা ৮ জন জাইল্লা (জেলে) নদীতে ইলিশ ধরতে যাই। কোনো কোনো দিন ১ হাজার টাকার তেল পুইড়া (পুড়িয়ে) ১৫০০-২০০০ টাকার ইলিশ পাই। আবার কোনো দিন ট্রলারের তেলের খরচও ওঠে না। তারপরও আমরা আশায় আছি জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়বে।’

শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল এলাকার জেলে আশাদুর মাঝি ও জাবেদ মাঝি। তারাও বললেন, ‘আশায় আছি কখন জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ে।’

ভোলার খালের মৎস্য আড়তদার জাকির হোসেন বলেন, ইলিশের ভরা মৌসুম অনেক দিন আগে থেকেই শুরু হয়েছে। কিন্তু এখনো জেলেদের জালে আশানুরূপ ইলিশ ধরা পড়ছে না। যে কারণে ঘাটে পাইকারি ও খুচরা ক্রেতারা এলেও তারা হতাশ হয়ে ফিরে যান। আমরা আড়তদাররাও বিপাকে রয়েছি।

জানতে চাইলে ভোলার মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এদাদুল্যাহ বলেন, ভরা মৌসুম চললেও জেলেরা কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাচ্ছেন না। তবে বৃষ্টিপাতের সঙ্গে ইলিশের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। তখন জেলেদের দুঃখ দূর হয়ে যাবে।