ArabicBengaliEnglishHindi

সৌদি আরবের রিয়াদস্থ জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ করেন মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগ


প্রকাশের সময় : অগাস্ট ১৭, ২০২২, ৯:৫৩ অপরাহ্ন / ১২৭
সৌদি আরবের রিয়াদস্থ জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ করেন মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগ

রিয়াদ প্রতিনিধি ->>
সৌদি আরবের রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ করেন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগ সৌদিআরব কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।

 

মসজিদ নির্মাণ কাজে আর্থিক সাহায্যের আবেদন

 

যথাযথ মর্যাদা ও বিনম্র শ্রদ্ধায় সৌদি আরবের রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার)। এরপর দূতাবাসে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। এ সময় দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগ সৌদিআরব কেন্দ্রীয় কমিটি ও রিয়াদ আওয়ামী পরিবারের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ দূতাবাসে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, বাংলাদেশকে জানতে হলে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে। তাঁর জীবনী পাঠ করতে হবে। রাষ্ট্রদূত প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পাঠের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সারা জীবন মানুষের জন্য রাজনীতি করেছেন, দেশের উন্নয়নের জন্য রাজনীতি করেছেন। তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণে। রাষ্ট্রদূত প্রবাসীদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ ও লালন করার আহবান জানান।

 

মসজিদ নির্মাণ কাজে আর্থিক সাহায্যের আবেদন

 

রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতির পিতা ছিলেন বাঙ্গালি জাতির মুক্তির মহানায়ক। তাঁর নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রাম ও ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র জন্ম নিয়েছে। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৬৬ এর ছয় দফা, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানসহ আমাদের সকল স্বাধিকার আন্দোলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। পাকিস্তানি শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৪ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ঐতিহাসিক ভাষণে স্বাধীনতার যে ডাক দিয়েছিলেন তা ছিল অবিস্মরণীয়। ৭ই মার্চের এ ভাষণই বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করে, বাঙ্গালিকে স্বাধীনতার মূলমন্ত্রে উদ্দীপ্ত ও দীক্ষিত করে।

রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে প্রবাসীদের যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহবান জানান রাষ্ট্রদূত।

জাতির পিতার জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভায় একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। শোক দিবস উপলক্ষ্যে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও অন্যান্য স্টাফগণ মিলে পবিত্র কোরআন খতম করেন। সবশেষে ৭৫ এর ১৫ আগস্ট নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ পরিবারের সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এছাড়া দেশ ও জাতির সার্বিক মঙ্গল কামনা করে দোয়া করা হয়।