ArabicBengaliEnglishHindi

হোমনায় অফিস কক্ষেই চলছে শ্রেণির পাঠদান


প্রকাশের সময় : অগাস্ট ১২, ২০২২, ৬:০৬ অপরাহ্ন / ৭৩
হোমনায় অফিস কক্ষেই চলছে শ্রেণির পাঠদান

মোঃ হারুন অর রশিদ ->>
কুমিল্লার হোমনায় অফিস কক্ষেই চলছে শ্রেণি কার্যক্রম। এমন চিত্র দেখা গেলো অত্র উপজেলার আসাদপুর ইউনিয়নের চারকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শ্রেণিকক্ষের অভাবে অফিস কক্ষের অর্ধেক অংশ জুড়ে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। অফিস কক্ষে ক্লাস হওয়ায় শিক্ষকদের দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

 

মসজিদ নির্মাণ কাজে আর্থিক সাহায্যের আবেদন

 

এ ছাড়াও প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে আসনসংকট, বিশুদ্ধ পানি, খেলারমাঠসহ নানা কারণে শিক্ষার্থীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে দুইটি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে একটি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেখানে পাঠদান করা হয় না। অন্য ভবনটিতে কক্ষ মাত্র তিনটি। একটি কক্ষে চলে অফিস ও শ্রেণি কার্যক্রম। আর অন্য দুইটিতে শ্রেণিকক্ষ।

বিদ্যালয়টি ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়। শৌচাগারের সামনে কোনো প্রাচীর না থাকায় সামান্যটুকু খেলার মাঠের সামনে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীদের টয়লেট ব্যবহার করতে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে চারজন শিক্ষক রয়েছেন। তাদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও দুইজন নারী।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিম জানান, স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি প্রায় শতভাগ। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় প্রতিবছর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করে থাকে। পাসের হার সন্তোষজনক। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টি সুনামের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছে। বিদ্যালয়ের নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা শ্রেণি কক্ষসংকট। শ্রেণিকক্ষগুলোতে আসনসংখ্যাও সীমিত।
বিদ্যালয়ের পরিচালনার কমিটির সাথে নিয়ে আমি উক্ত সমস্যার কথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা প্রকৌশলী অফিসে লিখিতভাবে আবেদন করেছি।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ যোবায়ের বলেন, ‘বিদ্যালয়ের শ্রেণিক্ষের সংকটের সমস্যা নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমি একাধিকবার যোগাযোগ করেছি।’

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সহ সভাপতি মোঃ শিব্বির আহম্মেদ খন্দকার বলেন, বিদ্যালয়টির পাঠদান ও ফলাফল সন্তোষজনক হওয়ার পরও এখানে শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ নেই। অথচ মফস্বল পর্যায়ে অনেক বিদ্যালয়ে দোতলা ভবন রয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যালয়টিতে কক্ষসংকট আছে। আমরা বিদ্যালয়টিতে ভবন বরাদ্দের ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চাহিদাপত্র দিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমন দে জানান, বিদ্যালয়টি শ্রেণি কক্ষের সংকট আছে শুনেছি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির জন্য নতুন ভবন নির্মাণ খুবই জরুরি। বিদ্যালয়টির নতুন ভবন নির্মাণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।