ArabicBengaliEnglishHindi

বারহাট্টায় আওয়ামী নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১৬, ২০২২, ৮:২৯ অপরাহ্ন / ৪৩০
বারহাট্টায় আওয়ামী নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর

নেত্রকোনা প্রতিনিধি->>

নেত্রকোনার বারহাট্টায় আওয়ামী লীগ নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চলিয়েছে বিএনপি নেতার ছেলে ও তার ক্যাডার বাহিনী। এ সময় হামলায় দুইজন আহত হয়েছেন।এতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাটসহ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে রোববার দুপুরে বারহাট্টা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী শেখা আক্তার। এর আগে গত শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি ) বারহাট্টা শহরের গোপালপুর বাজারে এ হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলে, শেখা আক্তার ও ফুফাতো ভাই মোহাম্মদ আলী। তাদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা মৎস দলের সভাপতি শহীদ মড়লের ছেলে মহসিন মিয়ার সাথে সদর ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক সবুজ খাঁর সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয়। এরই জেরে শুক্রবার সকালে আওয়ামী লীগ নেতা সবুজ খাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মহসিন মিয়া তার ক্যাডার বাহিনী নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় রামদ দিয়ে কুপিয়ে দোকানে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে ও দোকানে থাকা আওয়ামী লীগ নেতার বোন শেখা আক্তার ও মোহাম্মদ আলীকে মারধর করে আহত করে।

পরে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তারা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। হামলার শিকার আহত শেখা আক্তার বলে, রাস্তায় আমাদের একটি বিয়ের গাড়ি চলার সময় চালককে বাধা দিয়ে গলায় ছুরি দিয়ে আঘাত করে মহসিন। এ নিয়ে তর্কাতর্কি হয়। পরে এরই জেরে মহসিন তার ক্যাডার বাহিনী নিয়ে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে হামলা চালায়। আমাদেরকে মারধর করে আহত করে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তাই বিচার চেয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

দোকান মালিক আওয়ামী লীগ নেতার অপর বোন বারহাট্টা উপজেলা যুব মহিলা লীগ নেত্রী খেলন আক্তার বলেন, আমাদের পুরো পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত। আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিএনপির লোকজন আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দিনের দুপুরে কুপিয়েছে, আমার ভাই বোনকে মেরে জখম করেছে। নিজেদের ঘরেও নিরাপদ থাকতে পারছি না। এটা বড় দুখের।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোহসিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব ভিত্তিহীন মিথ্যা ও বানোয়াট। বারহাট্টা থানার ওসি মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।